High Blood Pressure Controlled Way.

প্রেসার হাই থাকলে এই খাবারগুলি খাওয়া একবারেই চলবে না!
১. জাঙ্ক ফুড: উচ্চ রক্তচাপে ভুগতে থাকা রোগীদের এমন খাবার খাওয়া মানে মৃত্যুর সমান। কারণ এই ধরনের খাবারে নুনের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। আর একথা তো সকলেই জানেন যে হাই ব্লাড প্রেসারের রোগীদের নুন খাওয়া একেবারেই চলবে না।

২. আচার: আপনার ব্লাড প্রসোর হাই, এদিকে আচার খেতেও ভাল লাগ? তাহলে তো বেশ বিপদ বলতে হয়! কারণ জাঙ্ক ফুডের মতো আচারেও নুনের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। আর মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ নুন একজন প্রেসারের রোগীর শরীরে প্রবেশ করা মানে সমস্যা আরও বাড়বে।

৩. ক্যানবন্দি স্যুপ: বাড়িতে বানানো স্যুপ শরীরের পক্ষে খুব ভাল। কিন্তু টিন বন্দি স্যুপ একেবারেই নয়। কারণ এতে নুন এবং প্রিজারভেটিভের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। তাই তো রেডিমেড স্যুপ খেলে শরীরে তো কোনও ভাল হয়ই না, উলটে প্রেসার বেড়ে গিয়ে শরীরের আরও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

৪. টমাটো সস: হাইপারটেনশের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের এই ধরনের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ সসেও নুন এবং চিনির পরিমাণ খুব বেশি থাকে, যা প্রেসারের রোগীদের শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়।

৫. কফি: প্রেসারের রোগীদের দিনে ২-৩ কাপের বেশি কফি খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ কফিতে রয়েছে ক্যাফিন, যা বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে রক্তচাপ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এখন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, হাই প্রেসারের রোগীদের কেন বেশি মাত্রায় কফি খেতে বারণ করে চিকিৎসকেরা।

৬. অ্যালকোহল: এই ধরনের পানীয় খেলে রক্তচাপ খুব বৃদ্ধি পায়। তাই যাদের ব্লাড প্রেসার এমনতিই হাই, তারা যদি এমন পানীয় প্রায় প্রতিদিন খেতে থাকেন, তাহলে হঠাৎ মৃত্য়ুর আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

প্রেসার বেড়ে গেলে খুব দ্রুত যা খাবেন
হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।

৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।

৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।

৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started